Breaking News
Loading...
Home / ভিডিও / আপনি কি লম্বা সময় সহবাস করতে চান? তাহলে এই পোষ্টটি অবশ্যই পড়ুন, ভাবির কাছে আর লজ্জা পেতে হবেনা

আপনি কি লম্বা সময় সহবাস করতে চান? তাহলে এই পোষ্টটি অবশ্যই পড়ুন, ভাবির কাছে আর লজ্জা পেতে হবেনা

Loading...

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

ভিডিও টি নিছে দেওয়া হল।

আরো পড়ুন

মরণঝাঁপ সিংহের খাঁচায়, মারা গেল যুবক ও ওই দুই সিংহ (ভিডিও)

আত্মহত্যার উদ্দেশে চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়লেন এক নগ্ন যুবক (২০)। সিংহের খাবার হতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে দুই সিংহকে হত্যা করে ওই যুবককে উদ্ধার করেছে চিড়িয়াখানার কর্মীরা। গুরুতর আহত যুবককে নেওয়া হয় নিকটস্থ হাসপাতালে। স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার সকালে চিলির সান্তিয়াগোতে এ ঘটনা ঘটে।

‘ডেইলি মেইল’ জানিয়েছে, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে যুবকের পরিচয় দেওয়া হয়েছে ফ্রাঙ্কো লুইস ফেরাদা রোমান। তাঁর প্যান্টের পকেটে আত্মহত্যার কথা লেখা চিরকুট পাওয়া গেছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, সাধারণ দর্শনার্থীর মতোই টিকেট কেটে ঢুকেছিলেন ফ্রাঙ্কো লুইস। ঘুরতে ঘুরতে সবার অলক্ষে তিনি সিংহের খাঁচার কাছে যান। পরে সিংহের খাঁচার ওপরে থাকা খোলা অংশ দিয়ে তিনি খাঁচার মধ্যে ঢুকে পড়েন। এর আগেই অবশ্য ফ্রাঙ্কো তাঁর সব কাপড় খুলে ফেলেন।

চিড়িয়াখানার কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, ফ্রাঙ্কো লুইস সিংহের খাঁচায় ঢুকে সেখানে থাকা কয়েকটি সিংহের দিকে চিৎকার করতে থাকেন। দৃষ্টি আকর্ষণ হওয়ার পর তিনটি সিংহ তাঁর ওপর হামলে পড়ে। সিংহগুলো থাবা দিয়ে ফ্রাঙ্কোকে টানা হেচড়া করতে থাকে। ওই সময় তিনি চিৎকার করে যিশুখ্রিস্ট ও ধর্ম নিয়ে কিছু বলছিলেন।

চিড়িয়াখানার পরিচালক আলেজান্দ্রা মনতালভা বলেন, সিংহের খাঁচা থেকে যুবককে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন তাঁর কর্মীরা। তবে কোনোভাবেই ওই যুবককে সিংহের কাছ থেকে উদ্ধার করা যাচ্ছিল না। দ্রুত সিংহকে অজ্ঞান করে এমন কোনো ওষুধও তাঁদের কাছে ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে গুলি করে দুটি সিংহকে হত্যা করেন চিড়িয়াখানার কর্মীরা।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, আত্মহত্যা করার চেষ্টায়ই সিংহের খাঁচায় ঢুকেছিলেন ফ্রাঙ্কো লুইস। তাঁর প্যান্টের পকেটে আত্মহত্যার কথা লেখা চিরকুট পাওয়া গেছে। পৃথিবী ধ্বংস হবে এমন বিশ্বাসে এভাবে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ফ্রাঙ্কো। শনিবার রাতে জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া ফ্রাঙ্কোর জীবন আশঙ্কা দূর হয়েছে।

ছুটির সকাল। বাচ্চাদের নিয়ে তাই অনেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন আফ্রিকান সিংহ-সিংহীর খাঁচার সামনে। কখন ভিড় ঠেলে গুটিগুটি পায়ে পরিখা পেরিয়ে বছর কুড়ির যুবক এগিয়ে গিয়েছেন, খেয়াল করেননি কেউই। যত ক্ষণে সবার চোখে পড়ল, অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছে।

খাঁচার ভিতরে তখন সিংহ-মানুষে টানাটানি। শনিবারের ঘটনাস্থল চিলের সান্তিয়াগোর মেট্রোপলিটান চিড়িয়াখানা। সেই বীভৎস দৃশ্য দেখে আঁতকে উঠেছেন সবাই। বাচ্চাদের চোখ ঢেকে দিয়েছেন বাবা-মায়েরা। তাঁরা দেখছেন, ফ্রাঙ্কো লুই ফেরাদা রোমান নামে যুবকটি নগ্ন অবস্থায় সিংহের গলা জড়িয়ে কার্যত ঝুলছেন। দেখে মনে হচ্ছে, সিংহকে যেন আদর করছেন! কিন্তু সেকেন্ডের তফাতে ভুল ভাঙে। সিংহ-সিংহী তাকে শুইয়ে ফেলে এক রকম খুবলে খাচ্ছে বলা চলে। পরিখার বাইরে সে দৃশ্য দেখে ভয়ে চিৎকার করছে লোকজন।

সিংহের খাঁচায় মানুষ ঢুকে পড়ার খবর পেতেই নড়েচ়ড়ে বসেন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে লোকটির প্রাণরক্ষার দিকেই। তাঁকে বাঁচাতে পর পর দু’টি গুলি করা হয় সিংহ-সিংহীকে লক্ষ্য করে। তার পরে হুঙ্কার দিয়ে স্থির হয়ে যায় তারা। ভয়ঙ্কর জখম যুবক ফ্রাঙ্কোকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। প্রথমে চিকিৎসকেরা ভেবেছিলেন বাঁচানোই যাবে না। তাঁর হৃৎপিণ্ড কাজ করা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল বলে চিকিৎসকদের দাবি। তিনি এখনও বিপন্মুক্ত নন।

কিন্তু ওই যুবক কেন জেনেশুনে ঢুকেছিলেন সিংহের খাঁচায়? কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, ফ্রাঙ্কো অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। টিকিট কেটে সোজা চলে যান সিংহের খাঁচার দিকে। তার পরে জামাকাপড় খুলে রেখে নগ্ন অবস্থায় সোজা ঝাঁপ দেন সিংহের খাঁচায়। যিশুখ্রিস্টের নাম নিয়ে চেঁচাচ্ছিলেন তিনি। পরে তাঁর পোশাকের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় এক টুকরো কাগজ। যা দেখে মনে করা হচ্ছে, আত্মহত্যার উদ্দেশ্যেই সিংহের কাছে চলে যান ওই যুবক। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আলেজান্দ্রা মন্তালাভা বলছেন, সিংহ-সিংহীকে মেরে ফেলার জন্য অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের কাছে ঘুমপাড়ানি গুলি ছিল না। চিড়িয়াখানার নিয়ম অনুযায়ী, মানুষের জীবনই সব চেয়ে দামি। যদিও এই যুক্তি মানতে নারাজ পশুপ্রেমীরা। তাঁদের প্রশ্ন, ‘‘ওই লোকটি নিয়ম না মেনে সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়ল, আর নিয়মের দোহাই দিয়ে সিংহদেরই মেরে ফেলা হবে?’’

বস্তুত যাঁরা এই দৃশ্য দেখেছেন, তাঁদের অনেকেও এই প্রশ্ন তুলেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী সিন্থিয়া ভাস্কেজ বলেছেন, ‘‘নিরাপত্তা কর্মীরা অনেক দেরিতে সক্রিয় হন। খাঁচায় ঢোকামাত্র কিন্তু সিংহ লোকটির উপরে চড়াও হয়নি। রক্ষীরা প্রথমে জল ছোড়েন। ভিড় সরিয়ে পরে গুলি ছোড়া হয়।’’ অনেকে সিংহ-মানুষে লড়াইয়ের ছবি ক্যামেরাবন্দি করে ছড়িয়ে দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সান্তিয়াগোর চিড়িয়াখানার এই ঘটনা উস্কে দিচ্ছে ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারির স্মৃতি। ওই দিন কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার শিবার গলায় মালা পরাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন জয়প্রকাশ তিওয়ারি নামে বছর পঁচিশের এক যুবক। মাত্র দু’বছর আগে দিল্লির ন্যাশনাল জুলজিক্যাল পার্কে বিজয় নামে একটি সাদা বাঘের মুখে পড়ে প্রাণ হারান মকসুদ বলে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবক। সে বারও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁদের কাছে ঘুমপাড়ানি গুলি ছিল না। কিন্তু এক জনকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দু’টো প্রাণ কেড়ে নেওয়া  কতটা যুক্তিসঙ্গত, প্রশ্নটা রয়েই গেল।

Loading...

About Barak Obama

Check Also

কিভাবে পারল মেয়েটা এমন করতে ছিঃ ছিঃ,দেখুন ভিডিও তে।

Loading... কিভাবে পারল মেয়েটা এমন করতে ছিঃ ছিঃ, ভিডিওটি দেখুন একদম নীচে। কাঁচা রসুনের যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

[X]
Loading...