Home / Different News / এই প্রাণী টি ধরতে পারলে আপনিও হতে পারবেন কোটিপতি !!! এটির দাম শুনলে অজ্ঞান হয়ে যাবেন নিশ্চিত !!

এই প্রাণী টি ধরতে পারলে আপনিও হতে পারবেন কোটিপতি !!! এটির দাম শুনলে অজ্ঞান হয়ে যাবেন নিশ্চিত !!

এই প্রাণী টি ধরতে পারলে আপনিও হতে পারবেন কোটিপতি !!! এটির দাম শুনলে অজ্ঞান হয়ে যাবেন নিশ্চিত !!

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে।

ভিডিওতে দেখুনঃ আমাদের চোখের আরালে ঘটে যাওয়া এমনই কিছু ঘটনা রয়ে যায় যা কিনা ক্যামেরায় ধরা না পড়লে বিশ্বাসই করতাম না। মিডিয়া হলো সমাজের দর্পন। প্রতিনিয়ত আমাদের সমাজে যা ঘটে চলে তাই পর্দায় তুলে ধরা হলো মিডিয়ার কাজ।

পর্দার আড়ালেও আমাদের সমাজে ঘটে অনেকঘটনা যা আমাদের চোক্ষগোচর হয় না। সমাজের  অনেক কালো অধ্যায় যা লোকচক্ষুর অন্তরালেই থেকে যায়। যা মিডিয়া আমাদের সামনে তুলে আনে।

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।আপনি যদি লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করেন তাহলে ফেইসবুকের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পোষ্টগুলো আপনার কাছে পৌঁছাবে না। তাই আমাদের পোস্ট গুলো আপনার ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

ভিডিওটি দেখুন নিচে………

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

আরো পড়ুন

স্বাধীনতার আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে গেছেন ‘বীর শহীদ’ আবু সালাহ….

৭০ বছর আগে এদিন ইসরায়েল ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে নেয় এবং সেখানে বাস করা সাধারণ ফিলিস্তিনিদের বিতাড়ন করে। এর প্রতিবাদে প্রতি বছর ১৫ মে নাকাবা দিবস পালন করে ফিলিস্তিন। এবার ঠিক এর আগের দিন মানে গত সোমবার জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর করা হয়। এটা মূলত শান্তিকামী ফিলিস্তিনিদের উস্কে দেয়ারই নামান্তর।

স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে ফিলিস্তিনিরা। আর এই প্রতিবাদী সমাবেশে অনবরত গুলিবর্ষণে নিহত হয় ৫৮ জন ফিলিস্তিনি। আর এই শহীদদের মধ্যে ছিলেন দেশ মাতৃকার জন্য অসীম ভালোবাসা পুষে রাখা ২৯ বছর বয়সী ফাদি আবু সালাহ। আবু সালাহ’র মৃত্যু গোটা বিশ্বকে শুধু কাঁদায়নি, দিয়েছে দেশপ্রেমের এক বিরল অনুপ্রেরণাদায়ী বার্তা।

আবু সালাহ’র দুই পা নেই। হুইল চেয়ারে বসেই চলাচল করতেন। অবশ্য পা দুটোও হারিয়েছেন ইসরায়েলিদের বিমান হামলায়। ২০০৮ সালে গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় দুই পা হারিয়েছিলেন ফাদি আবু সালাহ। তবে সেবার ইসরায়েলি বাহিনীর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান।

হুইল চেয়ারে বসে হাতে বানানো গুলতি নিয়ে থাকতেন ফাদি আবু সালাহ। দেশমাতৃকার পক্ষে স্লোগান দিতেন। টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেটের প্রতিরোধে হাতে বানানো গুলতি দিয়ে ছুঁড়তেন পাথর। সোমবার জড়ো হওয়া প্রায় ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে সকাল থেকেই হুইল চেয়ারে প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন  সালাহ। একটা পর্যায়ে শান্তিপূর্ণ এ বিক্ষোভে ইসরাইলি সেনারা নির্বিচারে গুলি চালালে তিনিও প্রতিরোধ করা শুরু করেন। দুপুরের পরেই ইসরাইলি সেনাদের গুলিতে নিহত হন এই বীর।   শেষ সময়েও হাতে ছিল গুলতি, পাশে ছিল হুইল চেয়ার।

অল্প বয়সেই বিয়ে করা ফাদি আবু সালেহ একটা সময়ে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ছিলেন বেশ কয়েক বছর। পরবর্তীতে এক মার্কিন সমঝোতায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রচেষ্টায় ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পান আবু সালাহ। তার সাথে আরও ৮৯ জন ফিলিস্তিনি বেরিয়ে আসে দখলদারদের কারাগার থেকে।

কয়েকমাস ধরে চলমান বিক্ষোভে স্ত্রী-সন্তান ও পরিবার নিয়ে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পশ্চিম তীর থেকে এসে গাজাতেই আশ্রয় নেন তাঁবু গেড়ে। চার শিশু সন্তানকে নিয়ে সেখানেই অস্থায়ীভাবে সংসার গাড়েন তিনি।

একজন নেটিজেন মন্তব্য করেন, মৃত্যুর আগ মুহূর্তেও ফাদি নামের এই পা বিহীন তরুণ আমাদের শিখিয়ে গেল দাসত্ব নয় স্পর্ধাই জীবন, দালালি নয় প্রতিরোধেই মুক্তি। মানুষকে বাঁচতে হবে মর্যাদার সাথে। মানুষ অর্থ অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করা।

অনেকেই মনে করছেন আবু সালাহ, নিজ প্রাণের বিনিময়ে লাখো ফিলিস্তিনের মনে জ্বেলে দিয়ে গেছেন স্বাধীনতার অগ্নিস্ফূলিঙ্গ। অত্যাচারী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আবু সালাহ এখন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি তরুণদের এক সঞ্জীবনী শক্তির নাম।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইহুদিবাদী ইসরাইল সাড় সাত লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছেদ করে তা দখল করে নেয়। এদিনটি নাকবা দিবস হিসেবে গত ৭০ বছর ধরে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। ঠিক এর আগের দিনের ঘটনা গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে।

About dharonabd

Check Also

সুন্দরী এই মেয়েকে বিয়ে করলে পাওয়া যাবে ১২০০ কোটি টাকা, অথচ কেউ বিয়ে করছে না…

সুন্দরী এই মেয়েকে বিয়ে করলে পাওয়া যাবে ১২০০ কোটি টাকা, অথচ কেউ বিয়ে করছে না… …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *